ছাত্রদলের সভাপতি ১৩ বছর বাড়ি যাননি

ছাত্রদলের সভাপতি ১৩ বছর বাড়ি যাননি, যশোরের ছেলে কাজী রওনাকুল ইসলাম (শ্রাবণ) বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন।

দেড় যুগ আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ছাত্রদলে যোগ দেন।

আরও খবর পেতে ভিজিট করুনঃ newsallw.com

ছাত্রদলের সভাপতি ১৩ বছর বাড়ি যাননি

তবে তার পরিবারের সদস্যরা রাজনীতিতে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত।

রওনাকুল ইসলামের বাবা ও এক ভাই বর্তমানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

রওনাকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামে।

তিনি ২০০৩ সালে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন।

থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে।

কিছুদিনের মধ্যে ছাত্র কর্মী হিসেবে হল ও বিভাগের সহপাঠীদের কাছে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

রওনাকুল ইসলামের বাবা কাজী রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

ছাত্রদলের সভাপতি ১৩ বছর বাড়ি যাননি

তিনি কেশবপুর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. গত নির্বাচনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলেও পরে দল তাকে পুনর্বহাল করে।

রওনাকুলের বড় ভাই মুস্তাফিজুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি এখন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলের বাইরে।

আরেক ভাই মোজাহিদুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক।

রোববার রওনাকুল ইসলাম ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার খবর প্রকাশিত হলে তা কেশবপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে ওঠে।

অনেকেই এই ঘটনাকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির এক পরিবারে সহাবস্থান হিসেবে দেখছেন।

সভাপতি হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি

তবে রওনকুল ইসলামের বাবা কাজী রফিকুল ইসলাম ছেলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আগ্রহ দেখাননি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি প্রথম আলোকে বলেন, ছেলেকে অস্বীকার করার উপায় নেই।

ছেলেটি বিভিন্ন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি ১৩ বছর ধরে বাড়িতে নেই।

রফিকুল ইসলাম বলেন, তার ছেলে ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি।

সে এই মন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি।

তবে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা এক পরিবারে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের অবস্থানকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন।

তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এক পরিবারে ভিন্ন মতাদর্শের মানুষ থাকতে পারে। এটা অস্বাভাবিক নয়। “

About admin

Check Also

জাতীয় সরকারের রূপরেখা তৈরি করছে বিএনপি

জাতীয় সরকারের রূপরেখা তৈরি করছে বিএনপি

জাতীয় সরকারের রূপরেখা তৈরি করছে বিএনপি, একই সঙ্গে দলটি ‘সরকার সরান’ আন্দোলন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.